Select Menu

Ads

Solar Energy

Technology

Circle Gallery

Shooting

Racing

News

Bottom



১. আপনার প্রয়োজন অনুযায়ি নির্দিষ্ট ওয়াটের সোলার সেল।

২. সোলার চার্জিং ইউনিট/চাজ কন্ট্রোলার (৬-১০ অ্যাম্পিয়ারের হলে ভালো হয়।

৩. প্রয়োজনীয় অ্যাম্পিয়ারের যে কোন ধরনের রিচার্জেবল ব্যাটারী


৪. প্রয়োজনীয় সংখ্যক এ্যাপ্লায়েন্স ( লো – ওয়াটেজ বাতি, পাখা ইত্যাদি)

Photo-voltaic Cell
Charge Controller
Battery

কি ভাবে সিস্টেমটি সংযুক্ত থাকে?


Home Solar System






- -
সোলার প্যানেল দিয়ে সরাসরি আপতিত সৌর রশ্মি কে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বিদ্যুত শক্তিতে রুপান্তর করে বাসা ও বিভিন্ন ব্যাবসায়িক কাজে ব্যাবহার করে থাকি।
মুলত দুই ধরনের প্যানেল রয়েছেঃ (ক) সৌর-তাপ প্যানেল ও (খ) ফটোভল্টাইক অথবা পিভি প্যানেল।

সৌর-তাপ প্যানেল মুলত পানি উত্তপ্ত করার কাজে ব্যাবহার করা হয় । পিভি প্যানেল ফটোভল্টাইক ইফেক্ট কে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুত উদপাদন করে আমাদের হোম সিস্টেমে প্রয়োজনীয় বিদ্যুত সরবরাহ করে থাকে।


পিভি সেল মুলত অর্ধ-পরিবাহি বস্তূ দ্বারা তৈরি সাধারনত সিলিকন থেকে নির্মিত এক ধরনের দ্বি-তল বিশিষ্ট ইলেক্ট্রিক স্যান্ডউইচ। সর্বাধিক পরিমান বিদ্যুত প্রাপ্তির জন্য প্যানেল কে ছাদে বা উচু জায়গায় এমন ভাবে স্থাপন করতে হবে যেন দিবা ভাগের প্রায় অনেকটা সময় জুড়ে সূর্যালোক পতিত হয়। দক্ষিন দিকে কিছুটা ঢালু ছাদ হচ্ছে সোউর-প্যানেল স্থাপনের জন্য উতকৃষ্ঠ ।

সোলার প্যানেল হতে প্রাপ্ত বিদ্যুত কে মুলত একটি ব্যাটারী সংরক্ষন করা হয় যাতে করে এটি রাতে অথবা মেঘলা দিনে ব্যাবহার করা যেতে পারে। সাধারনত ২০-২৫ ডিগ্রী তাপ মাত্রাতে সোলার প্যানেলের কার্যকরিতা বেশি হয়ে থাকে।
-
সৌর শক্তি সূর্য হতে প্রাপ্ত এক বিশেষ বিকীর্ণ আলোক শক্তি যা পৃথিবীর সমস্ত জীবনের প্রানের স্পন্দন, এর অভাবে প্রাণের অস্ত্বিত্ব কল্পনাও করা যায় না। দীর্ঘ দিন যাবত সুর্য কে শক্তির এক মহা উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। কারন এটি আধুনিক প্রযুক্তি সমন্বয়ে সহজলভ্য।



একটি সাধারণ উদাহরণ দিয়ে সুর্য এর অপরিমেয় শক্তি সম্পরকে কিছুটা ধারনা পাওয়া যায়। যেমনঃ- একটি ম্যাগনিফাইং গ্লাসের নীচে এক টুকরা কাগজ রাখলে তা মূহুর্তেই ভস্মীভূত হয়।

আতশ কাচের দ্বারা মুলত সূর্য রশ্মীকে ঘনীভুত করে কাজে লাগানো হয়।


সৌর শক্তি হইতে প্রাপ্ত আলোক শক্তি কে বিশেষ ধরনের ফোটো ভল্টাইক সেল এর মাধ্যমে প্রাপ্ত বিদ্যুতকেই মুলত সৌর বিদ্যূত বলা হয়। সব চাইতে মজার বিষয় হলো এই শক্তির রূপান্তরের জন্য কোনো ধরনের জ্বালানী প্রয়োজন হয় না। তাই এই প্রক্রিয়ায় বিদ্যুত উৎপাদন করলে পরিবেশের কোনো রূপ ক্ষতি সাধিত হয় না। তাই সৌর শক্তি হতে বিদ্যুত কে গ্রীন ইলেক্ট্রিসিটি ও বলা হয়ে থাকে।


-
সূর্য থেকে সৌর বিকিরণ আকারে যে শক্তি নির্গত হয় তাই মুলত সৌর শক্তি। সৌর শক্তিই মুলত সবচাইতে বৃহৎ রিনিউয়েবল  এনার্জি। এই সোলার এনার্জি কে রুপান্তর করেই উৎপাদন করা হয় বহুল ব্যবহ্রত বিদ্যুত শক্তি। সৌর শক্তিই মুলত পার্থিব সকল শক্তির মুল উৎস। মানুষ থেকে শুরু করে সকল প্রানী ও  উদ্ভিদ রাজিই এই সৌর শক্তির উপড় নির্ভরশীল। এই  সৌর শক্তি বিকিরন এর মাধ্যমে সূর্‍্য থেকে পৃথিবী তে এসে পৌঁছে। সালোকসংশ্লেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ভিদ খাদ্য উৎপাদন করে থাকে। আর আমরা জীবন ধারনের জন্য উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল।

দুই ধরনের শক্তির আলোক শক্তি ও বিকির্ণ তাপ শক্তির সমন্বয়ে মুলত সৌর শক্তি গঠিত। পৃথিবীতে আগত এই শক্তিই মুলত রূপান্তরের মাধ্যমে বিভিন্ন শক্তিতে পরিণত হয়।



-